সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম, উপকারিতা ও অপকারিতা

আমরা সবাই জানি বৈশ্বিক উষ্ণতা এখন আমাদের জন্য অনেক বড় এক হুমকির নাম। প্রতিনিয়ত এই উষ্ণতা বেড়েই চলেছে। প্রচন্ড গরমে বিশ্বের অনেক দেশে ইতোমধ্যেই খরা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় আমাদের ত্বকের উপর পরিবেশ পরিবর্তন এর প্রভাব ও দৃশ্যমান।

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে সকলেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছে। কারণ একটাই সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের ত্বককে প্রটেক্ট করতে হবে। আজকাল শুধু নারীরাই নয় বরং পুরুষ এবং বাচ্চাদের জন্য নানা ধরনের সানস্ক্রিন বাজারে এসেছে।

নানা কোয়ালিটির নানা ব্যান্ডের সানস্ক্রিন এর ভিড়ে সঠিকটা বেছে নেয়া অনেক সময় মুশকিল হয়ে যায়। তাই সানস্ক্রিন ভালো ব্যান্ড থেকেই কেনা উচিত। এখন এই সানস্ক্রিন আমরা কিভাবে ব্যবহার করব সেই নিয়ে আজকের এই পোস্ট। এই পোস্টে আমরা আরো জানবো সানস্ক্রিন ব্যবহার এর উপকারিতাগুলো কি কি, দিনে কয়বার সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে, কখন ব্যবহার করতে হবে এবং কিভাবে ব্যবহার করতে হবে এর উপায় সমূহ।

সানস্ক্রিন কি?

সানস্ক্রিন হলো এমন একটি স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট যা সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে আপনার স্কিন বা ত্বককে প্রোটেকশন দিবে। এটি মূলত আপনার ত্বকের সাথে সূর্য অতি বেগুনি রশ্মির একটি বেরিয়ার সৃষ্টি করে থাকে।

সূর্যের আলোতে যাওয়ার সাথে সাথেই এর রশ্মি আমাদের ত্বকের কোলাজেন ভাঙতে শুরু করে এবং তা অনেক দ্রুত এইজিং সাইন আমাদের ত্বকে নিয়ে আসে।

এছাড়াও সানস্ক্রিন ব্যবহার না করার ফলে ডিরেক্ট সূর্যের আলো আমাদের ত্বকের অন্যান্য নানা ক্ষতি সাধন করতে পারে। যেমন ডার্ক স্পট, ছোপ ছোপ দাগ, রিংকেলস, কম বয়সে বার্ধকের লক্ষণ দেখা দেয়া,চামড়ার নানা সমস্যা, এমনকি স্কিন ক্যান্সার এর মতো মারাত্মক সমস্যাও হতে পারে।

সানস্ক্রিন এর প্রকারভেদ

সানস্ক্রিন দুই ধরনের হয়ে থাকে। অর্থাৎ এর দুই ধরনের ফরমুলেশন রয়েছে। যেমন:

  1. ফিজিক্যাল এবং
  2. ক্যামিকেল সানস্ক্রিন

এফ ডি এ (FDA) অনুমোদিত ১৬-১৭ টি উপাদান নিয়ে গঠিত হয় এই ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন।এটিকে মেডিকেটেড সানস্ক্রিন ও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত তারাই ব্যবহার করে যাদের ত্বকে মেছতার দাগ বা অন্য কোনো ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন। বেশিরভাগ ডাক্তাররা এই সানস্ক্রিন এর পরামর্শ দিয়ে থাকেন ত্বকের সমস্যা নিয়ে গেলে। এই সানস্ক্রিন তেলতেলে ভাব দেয়না। এবং দামেও কিছুটা বেশি থাকে।

ক্যামিকেল বেসড সানস্ক্রিন গুলো কিছুটা সাশ্রয়ী হয়।

ক্যামিকেল বেসড সানস্ক্রিন এর প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে জিংক অক্সাইড। যেহেতু এই উপাদানটি দামে সাশ্রয়ী তাই যারা এই সানস্ক্রিন ব্যবহার করছেন এটি তাদের ত্বকে কিছুটা সাদা ভাব বা লেয়ার বা হোয়াইট কাস্ট দিয়ে থাকে। এটি মূলত মূলত কেমিক্যাল বেসড এবং ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন এর মধ্যে পার্থক্য।

এছাড়াও ক্যামিকেল বেসড সানস্ক্রিন গুলো কিছুটা ঘামের সৃষ্টি করে সাথে তৈলাক্ত ভাব ও সৃষ্টি করতে পারে। এর কোনো টিই ক্ষতিকর নয়। সানস্ক্রিন যেহেতু ত্বকে একটি প্রোটেকশন লেয়ার তৈরি করে কিছুটা তৈলাক্ত ভাব আনতেই পারে। যারা অনেকক্ষণ চুলার কাছে বা রোদের কাছে থাকেন তাদের কেমিক্যাল বেসড সানস্ক্রিনই ব্যবহার করা উত্তম।

কোন ত্বকে কোন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন

স্কিন টাইপ এবং বয়স ভেদে সানস্ক্রিন নানান ধরনের হয়ে থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য জেল বেসড সানস্ক্রিন এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম টাইপ এর সানস্ক্রিন সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।

ত্বক ছাড়াও শরীরে নানা অংশ সূর্যের আলোর নিচে খোলা অবস্থায় থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে বডিতে লোশন বেসড সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।

সানস্ক্রিন কখন এপ্লাই করবেন?

আধুনিক যুগের পরিবর্তন এর সাথে নানা প্রোডাক্ট এর ও সমন্বয় ঘটেছে এই যুগে। অনেক উন্নত মানের সানস্ক্রিন এর এক নিদর্শন।

প্রতিটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করার একটি নিয়ম রয়েছে। সেরকম সানস্ক্রিন ব্যবহার করারও নিয়ম রয়েছে। আমরা যখনই প্রোডাক্ট ব্যবহার করি প্রতিটি প্রোডাক্ট এর মাঝখানে একটা নির্দিষ্ট সময় বিরতি দিয়ে থাকি।

আপনি যখন বাসা থেকে বের হবেন আপনার ত্বক সূর্য রশ্মির সংস্পর্শে আসবে তাই যখন আপনি বাসা থেকে বের হবেন এর ৩০ মিনিট আগে আপনার ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। এতে করে আপনার ত্বকের সাথে সেই সানস্ক্রিন ভালোভাবে মিশে যাবে এবং একটি ভালো প্রটেকশন লেয়ার সৃষ্টি করবে সূর্য রশ্মির হাত থেকে বাচার জন্য।

শুধুমাত্র বাসা থেকে বের হলেই নয় বরং ঘরে থাকলেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজন রয়েছে। তাই দিনের শুরুতেই এই সানস্ক্রিন ব্যবহার করে নিলেই আর চিন্তা থাকেনা। তারপর সময় সময় পর রিএপ্লাই করে নিতে হবে।

সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম

সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম
সানস্ক্রিন ব্যবহারের নিয়ম

সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা কম বেশি সবাই ফেইসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে নেই। এরপর আমাদের রেগুলার কোনো স্কিন কেয়ার আইটেম থাকলে তা ব্যবহার করে স্টেপ বাই স্টেপ আমরা ময়েশ্চারাইজার পর্যন্ত ব্যবহার করে থাকি। এরপর আসে সানস্ক্রিন এর পালা। সানস্ক্রিন সবার শেষ স্কিন কেয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন। এর উপর ফেসিয়াল ওয়েল বা এসেন্সিয়াল ওয়েল ব্যবহার করবেন না। এতে করে ত্বকে হোয়াইট কাস্ট দেখা দিতে পারে এবং ত্বকে অনেকটাই অসহনীয় তেলতেলে ভাব চলে আসবে।

সানস্ক্রিন কিভাবে এপ্লাই করবেন?

সানস্ক্রিন অনন্য ক্রিম বা মশ্চারাইজার এর মত হাতের তালুতে নিয়ে ব্যবহার না করে এটি আগে আপনার হাতের একটি আঙ্গুল এ নিয়ে নেবেন আপনার ত্বকে করে মেখে নিবেন আঙুলের সাহায্যে ভালভাবে মাসাজ করে নিবেন সবশেষে ট্যাপ ট্যাপ করে চাপ দিয়ে নিবেন। এতে করে ত্বকে বেশি হোয়াইট কাস্ট থাকবে না।

সানস্ক্রিন কতক্ষণ পর পর রিএপ্লাই করবেন

অনেকের ধারণা সানস্ক্রিন একবার ব্যবহার করেছি সুতরাং আমার কাজ শেষ। কিন্তু আমাদের জানতে হবে আমরা যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করছি তা কতক্ষণ আমার ত্বককে প্রোটেকশন দিচ্ছে।আমরা যে ব্র্যান্ডের সানস্ক্রিনই ব্যবহার করিনা কেনো প্রতিটা সানস্ক্রিনই একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আপনার ত্বককে প্রটেকশন দিয়ে থাকে। সেই সময় পর সানস্ক্রিন রিএপ্লাই করতে হয়।

তাই বাহিরে গেলেও ব্যাগে বা পকেটে সানস্ক্রিন এর মিনি প্যাক বা কৌটা টি সাথে নিয়ে যাওয়া উচিত।সানস্ক্রিন ব্যবহার এর ২-৩ ঘন্টা পর এর কার্যকারিতা একদম কমে যায়। তাই তখন পানি বা টিস্যু দিয়ে মুছে আবার ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করে নিতে হবে।

কিভাবে বা কি কি দেখে সানস্ক্রিন কিনতে হবে?

১. আমরা আগেই জেনেছি সানস্ক্রিন দুই ধরনের হয়ে থাকে। ক্যামিকেল এবং ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন। যার যেটা প্রয়োজন সে সেটাই কিনবেন। কিনার আগে টেক্সার ব্যবহার করে দেখবেন। আর যদি আপনার কোনো ত্বকের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে একজন ডার্মাটোলোজিস্ট এর পরামর্শ নিয়ে সানস্ক্রিন কিনলে আপনি বেশি উপকৃত হবেন।

২. সানস্ক্রিন কিনার সময় এর SPF দেখে সানস্ক্রিন কিনতে হবে। সানস্ক্রিন শুরু হয় SPF 15 থেকে। বাংলাদেশ এর আবহাওয়া তে ১৫-৩০ যথেষ্ট যেহেতু আমরা তুলনামূলক বাদামী বর্ণের। কিন্তু যারা অনেক বেশি ফর্সা এবং রোদে গেলে তাদের ত্বক লাল হয়ে যায়, র‍্যাশ পড়ে বা মেছতার সমস্যা রয়েছে তাদের ৩০-৪৫ বা ৩০-৫০ এর মধ্যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। তাহলে বলা যায় সানস্ক্রিন কিনার সময় SPF ৩০-৪৫ সিলেক্ট করলেই যথেষ্ট।

৩. SPF এর পাশাপাশি আপনাদের Spectrum দেখেও সানস্ক্রিন কিনতে হবে। UVA এবং UVB এরকম দুইটি শব্দ সানস্ক্রিনের গায়ে লেখা থাকে। UVB আমাদের যতটা না ক্ষতি করে UVA আমাদের ত্বকে আরো বেশি ক্ষতি করে থাকে। তাই সানস্ক্রিন কেনার সময় UVA এবং UVB দুটো থেকেই প্রোটেকশন দিবে এরকম সানস্ক্রিন কিনতে হবে।

৪. এখন যাদের বেশি সময় অফিস এ স্কিন এর সামনে বসে থাকতে হয়,বা রান্নার কাজে বেশি সময় কিচেনে থাকতে হয়,অনেক বেশি রোদে যেতে হয় তাদের উচিত SPF৪৫ বা এর বেশি সিলেক্ট করা।

সানস্ক্রিন এর দাম

ইতোমধ্যেই প্রতিটি ব্যান্ড তাদের নিজস্ব সানস্ক্রিন নিয়ে এসেছেন বাজারে। বিশ্ব বাজারে এর চাহিদা ও বিপুল। অনেক কোরিয়ান, আমেরিকান এবং বিশ্বের নানা নামি দামি ব্র্যান্ড বাজারে তাদের সানস্ক্রিন নিয়ে এসেছেন। যাদের গুনগত মান অনেক ভালো। এবং সেগুলো নানা সাইজের, আকারের হয়ে থাকে এবং স্কিন টাইপ বিবেচনা করেই বানানো হয়ে থাকে।

কোরিয়ান ৫০ মি.লি সানস্ক্রিন গুলো প্রায় ৯০০-১২০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। এবং দেশীয় কিছু সানস্ক্রিন কখনো কখনো ৫০০-৭০০ টাকার মধ্যে ও পাওয়া যায়। ডাক্তাররা যেসব সানস্ক্রিন ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যেমন বায়োডার্মা এর সানস্ক্রিন গুলো প্রায় ১৫০০ টাকার উর্ধ্বে হয়ে থাকে।

সানস্ক্রিন ব্যবহারের উপকারিতা

সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম
সানস্ক্রিন এর উপকারিতা

বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে শুধুমাত্র ঘর থেকে বের হলেই নয় বরং ঘরের ভেতরেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। দৈনন্দিন নানা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মোবাইল এছাড়া ইলেকট্রনিক্স এর নানা রশ্মির মধ্য দিয়ে আমরা চলাফেরা করি। এগুলো আমাদের ত্বকের ক্ষতির কারণ হতে পারে। যারা নিয়মিত চুলার কাছে রান্নাবান্না করেন তাদের জন্য ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন। কারণ চুলার আগুনে প্রচন্ডরকম হিট থাকে যা ত্বককে কালো করে দেয়।

কখনো কখনো ত্বকের অন্যান্য ক্ষতি সাধন করে থাকে। তাই আমাদের ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি বা নানা রশ্মি এবং তাপের কাছ থেকে বাঁচানোর জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অত্যাবশ্যক।

১. সানস্ক্রিন ত্বককে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
২. ত্বকের কোলাজেন লেয়ার প্রোটেক্ট করে।
৩. ত্বকে মেছতা, কালো ছোপ ছোপ দাগ হতে দেয় না।
৪. ত্বকের কোষকে ভিতর থেকে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।
৫. ত্বকে অনেক দ্রুত বয়সের ছাপ পড়তে দেয়না।

সানস্ক্রিন ব্যবহারের কিছু অপকারিতা

সানস্ক্রিন ব্যবহার এর বিশেষ কোনো অপকারিতা আসলে নেই। শুধুমাত্র ব্যবহার এর দিক থেকে কিছুটা সচেতন হতে হবে মাত্র।

সানস্ক্রিন দিয়ে বাহিরে যাওয়ার পর বাসায় ফিরে ত্বককে ফেইসওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এমনকি বাসায় থাকলেও গোসলের সময় তা ভালো ভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। নাহয় সারাদিনের ধুলো-ময়লা আপনার ত্বকে থাকা সানস্ক্রিন এর লেয়ার এর সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সানস্ক্রিন সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা

১. কেউ যদি এমন কোন প্রোডাক্ট, ক্রিম, প্রাইমার বা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করেন যেখানে এসপিএফ ১৫ বা এরকম একটা সংখ্যা লেখা আছে তারা অনেক সময় এমন মনে করেন যে আমাদের এই প্রোডাক্টটি ব্যবহার করার পর আর সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই, তারা ভুল ধারনা নিয়ে আছেন। আপনাদের অবশ্যই সেই প্রোডাক্ট ব্যবহার করার পরে অথবা আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করে নিতে হবে।

২. অনেকের ধারণা বৃষ্টির দিন বা সূর্যের কম তাপে সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ওজোন লেয়ার ক্রমাগত তার স্বকীয়তা হারাচ্ছে। আর সেই তাপ ডিরেক্ট পৃথিবীতে আঘাত করছে। তাই দিনের যেকোনো সময়ই আপনার সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন।

আমরা সবাই জানি যে সানস্ক্রিন আমাদের ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। অনেকে সানস্ক্রিন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অধিক পরিমাণে বা অনেক কম পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন যেটি উল্টো ত্বকের ক্ষতি করে থাকে।

আপনি ভাবছেন আমি তো সানস্ক্রিন ব্যবহার করেছি, সুতরাং আমি রোদে চলে যেতে পারি কিন্তু কম পরিমাণ সানস্ক্রিন ব্যবহার করার কারণে এটি আসলে আপনার ত্বককে পর্যাপ্ত প্রোটেকশন দিচ্ছেনা। আর আপনি ভেবে দিচ্ছেন যে আপনার ত্বকে সানস্ক্রিন সুট করছে না।

তাই সানস্ক্রিন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম টি অবশ্যই জেনে নেবেন সানস্ক্রিন যখন রিএপ্লাই করতে হয় আপনার ত্বক পরিষ্কার করে সানস্ক্রিন রিএপ্লাই করুন। এসময় কাছে পানি বা টিস্যু থাকলে তা ব্যবহার করুন।

আরো পড়ুনঃ

5/5 - (9 Reviews)
Subna Islam
Subna Islam
Articles: 36

Leave a Reply

Your email address will not be published.